প্রধান আকর্ষণসমূহ আলোর সেতার

শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত বিশিষ্ট চিহ্নবাহী মিনারা আলোর সেতার শহরের এবং সারা কেদাহ রাজ্যের দ্রুত উন্নতির প্রতীক সেইসাথে এটা টেলিযোগাযোগ টাওয়ার হিসেবেও ব্যবহৃত হচ্ছে। দর্শনার্থীগন এই টাওয়ারে চড়তে পারেন এবং সমগ্র আলোর সেতার শহরের শ¦সরোধকরা দৃশ্য দেখতে পারেন।

জহির মসজিদ
জহির মসজিদ কেদাহ এর রাষ্ট্রীয় মসজিদ এবং এটা শহরের একটি স্থাপত্য কীর্তি। মুরিশ স্থাপত্য রীতিতে নির্মিত এই মসজিদ মালয়েশিয়ার সর্ববৃহত ও প্রধানতম মসজিদ এবং এখানে কেদাহ এর বার্ষিক কোরআন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। আপনি যদি এই মসজিদ ভ্রমণের পরিকল্পনা করে থাকেন তাহলে আপনাকে শহরের ধর্মীয় বিভাগ থেকে অনুমতি নিতে হবে এবং সেসাথে আপনাকে নির্ধারিত পোষাক পরতে হবে। বালাই নোবাত হলো কেদাহ এর রাজকীয় অর্কেস্ট্রা ব্যবহৃত বাদ্যযন্ত্রের উতসভুমি। এই বাদ্যযন্ত্রগুলি এতই বিশিষ্ট ও ভাবগম্ভীর যে এগুলি শুধু রাজকীয় অনুষ্ঠানাদি যেমন কোন কোম্পানী উদ্বোধন, বিবাহ ও শেষকৃত্য ইত্যাদি অনুষ্ঠানে বাজানো হয়।

বালাই বেসার
এটা কেদাহ এর ‘গ্রেট হল’ নামে পরিচিত, এর কাঠামো কেদাহ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে দীর্ঘদিন স্থায়ী ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের পরিচয় বহন করে।

রাজকীয় যাদুঘর
এক সময়ের কেদাহ সুলতানদের রাজকীয় প্রাসাদ এই রাজকীয় যাদুঘর এখন কেদাহ সালতানাতের বিভিন্ন নৃতাত্বিক সম্পদের সংরক্ষণাগার সেসাথে রাজকীয় শিল্প গ্যালারীতে পরিণত হয়েছে যেখানে পেইন্টিংস, আলোকচিত্র, প্রাচীন নিদর্শন এবং সালতানাতের ঐতিহ্যবাহী ললিতকলা ও শিল্পের নিদর্শন রয়েছে। অধিকন্ত্ত, এখানে সালতানাতে থাই প্রভাবের বিভিন্ন সংগ্রহ রয়েছে যার মধ্যে মূলতঃ বুজং ভ্যালীর প্রাচীন হিন্দু-বৌদ্ধ সভ্যতার ঐতিহ্যবাহী নিদর্শন রয়েছে।

মহাথিরের জন্বস্থান
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ড. মহাথির মোহাম্মদ যিনি ১৯২৫ সনের ১০ জুলাই জন্বগ্রহন করেন তাঁর জন্বস্থান হলো কামপুং সেবেরাং পেরাকের একটি বাড়ী।

Social Media