পুত্রজায়ার আকর্ষণসমূহ

এই বিশেষ বিল্ডিং কমপ্লেক্স শহরের প্রধান পাহাড়ে অবস্থিত যা মালয়েশিয়ান সরকারের নির্বাহী বাহু ও মালয়েশিয়ান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। যদি আপনি পুত্রজায়া ভ্রমণের ইচ্ছা করেন তাহলে এটা হবে আপনার সবচেয়ে উতকৃষ্ট ভ্রমণস্থান বিশেষ করে অন্যান্য শহরের ভ্রমণ আকর্ষণ কেমন হবে তা এই শহর ভ্রমণেই বোঝা যাবে।

পুত্রা মসজিদ
মসজিদ পুত্রা হিসেবেও পরিচিত শহরের এই প্রধান মসজিদের নির্মান কাজ ১৯৯৯ সালে শেষ হয়। এটা পারদানা পুত্রা এবং পুত্রাজায়া হ্রদের পাশেই অবস্থিত।

পুত্রজায়া স্বাধীনতা স্কোয়ার
এই শহর স্কোয়ার পারদানা পুত্রার পরেই অবস্থিত। বিভিন্ন উতসব ও প্যারেড এখানে প্রদর্শিত হয় পাবলিক হলিডে’ র সময়ে।

পুত্রা সেতু
শহরের প্রাথমিক ধমনী পুত্রা সেতু ইরানের খাজু সেতুর অনুকরণে তৈরী করা হয়েছে। ৪৩৫ মিটার দীর্ঘ পুত্রা ব্রীজ সরকারের সাথে মিশ্র উন্নত শহর উপকন্ঠকে যুক্ত করেছে সেইসাথে যুক্ত করেছে পুত্রা স্কোয়ার ও শহরের প্রধান সড়ককে। তিনটি স্তরে এই সেতু নির্মিত হয়েছে, একটিতে মনোরেল, একটিতে যানবাহন ও অন্যটিতে পথচারী চলাচল।

মিলেনিয়াম মনুমেন্ট
এটা এই শহরের নিজস্ব নির্মান ঠিক ওয়াশিংটন ডিসির ওয়াশিংটন মনুমেন্টের আদলে। পুত্রজায়ার জাতীয় মনুমেন্ট হিসেবে বিবেচিত এই মনুমেন্ট একটা ধাতুনির্মিত চতুষ্কোণ স্মৃতিস্তম্ভ, ৬৮ মিটার লম্বা এবং উপশহর-২ এর ২৫ হেক্টর পার্কের মধ্যে অবস্থিত। ধাতব প্লেটে চিত্রাঙ্কন করা শ্রীমন্ডিত এই স্মৃতিস্তম্ভ মালয়েশিয়ার জাতীয় ইতিহাস ও মূহুর্তের ছবি শোভিত।

পুত্রজায়া হ্রদ
৬৫০ হেক্টরের এই মনুষ্যনির্মিত হ্রদ নগরীকে ঠান্ডা রাখার উদ্দেশ্যে নির্মিত হয়। এটা এখন বিভিন্ন জলক্রিড়ার প্রধান স্পটে পরিণত হয়েছে যেমন এফ১ পাওয়ার বোট চ্যাম্পিয়নশীপ এবং এশিয়ান ডিঙি নৌকা বাইচ চ্যাম্পিয়ানশীপ প্রতিযোগিতা।

আলামান্ডা পুত্রাজায়া
কোন শহরই সম্পূর্ণ নয় বিশ¦ মানের শপিং মল না থাকলে। আলামান্ডা পুত্রাজায়া শপিং কমপ্লেক্স শহরে নির্মিত প্রথম শপিং কমপ্লেক্স যেখানে আছে বিভিন্ন ধরনের দোকানপাট, রেস্তোরাঁ, বৌল খেলার পথ, মুভি থিয়েটার এবং একখানি ফুড কোর্ট। এখানে একটা ট্রাভেলেটর রয়েছে যার সাহায্যে পার্কিং এরিয়া থেকে খুচরা দোকানগুলিতে সরাসরি যাওয়া যায়।

হিবিস্কাস গার্ডেন
হিবিস্কাস গার্ডেন দেশের জাতীয় ফুলের প্রতি সম্মান প্রদর্শন, এখানে আপনি ২,০০০ বিভিন্ন জাতের হিবিস্কাস পুষ্পগাছ পাবেন যেখানে বিদগ্ধ প্রকৃতি প্রেমীদের নগরীর কলকোলাহল থেকে পালিয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

Social Media