কোটা ভ্রমণ প্রধান আকর্ষণ

রাজকীয় যাদুঘর বিশাল নীল-সাদা ভবন যা তৈরী হয়েছিল ১৯৩৯ সালে এবং ক্রাউন প্রিন্স এর প্রাসাদ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত যতক্ষন না কেলান্টন রাজ্যকে এটা দান করা হয়। এটাকে সাধারনভাবে ‘ইসতানা বাটা’ বলা হয় যা মালয় ভাষায় ‘ইটের প্রাসাদ’ বলা হয়। পূর্বে এটা রাজকীয় বিবাহ ও জমায়েতের জন্য ব্যবহৃত হতো। এই রাজকীয় যাদুঘরে বিভিন্ন রাজকীয় শিল্প, নৃতাত্বিক নিদর্শন এবং অন্যান্য ঐতিহাসিক পুরাতাত্বিক নিদর্শন রয়েছে যা পূর্বের দেশ শাসনকারী সুলতানদের সম্পদ ছিল।

গেলাংগাং সেনি
কোটা বাহরুতে আসা প্রত্যেক পর্যটকের জন্য এটা দর্শন করা অপরিহার্য। গেলাংগাং সেনি বা সাংস্কৃতিক কেন্দ্র আপনাকে কেলান্টানের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বাদ পাইয়ে দেবে এর বিভিন্ন প্রদর্শনীর মাধ্যমে। এর মধ্যে বিশিষ্ট কতকগুলো হলো জনপ্রিয় লোকশিল্প এবং অবসরের কাজ যেমন, লাটিম ঘোরানো (গেসিং), ঘুড়ি ওড়ানো (ওয়াও), ছায়া পুতুল নাচ (ওয়েইয়াং কুলিত) এবং সিলাত ও মালয়েশিয়ার ঐতিহ্যবাহী মার্শাল আর্ট। আরও আছে মালয়েশিয়ার স্থাপত্য প্রদর্শনী, চীনা মৃতশিল্প এবং রেশম বয়ন শিল্প প্রদর্শনী।

কেন্দ্রীয় বাজার
কোটা বাহরুর বিখ্যাত কেন্দ্রীয় বাজার হয়তো মালয়েশিয়ার সবচেয়ে জাকজমকপূর্ণ ও সক্রিয় দর্শনীয় স্থান। কেন্দ্রীয় বাজার একটি পঞ্চভুজাকৃতির ভবনের মধ্যে অবস্থিত। এখানে দোকান মালিক ও স্থানীয় বিক্রেতারা বিবিধ পন্য, বাটিক পোশাক ও জুয়েলারী সামগ্রী সারিবদ্ধ দোকানে বিক্রি করেন।

রাষ্ট্রীয় যাদুঘর
রাষ্ট্রীয় যাদুঘর পর্যটক তথ্য কেন্দ্ররে পরেই অবস্থিত। এখানকার সংগ্রহে আছে নানা নৃতাত্বিক জিনিসপত্র, শিল্প-নৈপুন্য, চিত্রাংকন, আলোকচিত্রণ এবং চীনের মিং ও কিং রাজবংশের চীনামাটির সামগ্রী। এই যাদুঘরে গ্রাম্য জীবন যাপনের কিছু স্মৃতিবিধুর চিত্র আছে।

Social Media