মুম্বাই এ দর্শনীয় স্থানসমূহ

ভারতের প্রবেশ তোরণ মুম্বাই একসময় প্রধান বন্দর হিসেবে ব্যবহৃত হতো যখন বিদেশীগন জাহাজে চড়ে ভারতে আসত। ১৯১১ সালে রাজা পঞ্চম জর্জের ভারত ভ্রমণের পর প্রবেশ তোরণের ধারনা সামনে আসে এবং দাপ্তরিকভাবে ১৯২৪ সালে এটা উদ্বোধন করা হয়। এর নির্মান ষোড়স শতকের মুসলিম নির্মান শৈলীর আদলে করা হয়েছে। তোরণের নিকটে কোলাবা কজওয়ে দক্ষিণ প্রান্তে কোলাবা উচ্চভূমিতে গিয়ে শেষ হয়েছে। অন্য একটি মজাদার স্থান হলো সাউন ডক যেখানে মাছধরা নৌকাগুলো দীর্ঘদিনের কাজ শেষে বিশ্রাম নেয় ।

কোলাবার উত্তর অংশে অনেক ভ্রমণ আকর্ষণ রয়েছে যেমন, মুম্বাই দুর্গ এলাকা যেখানে স্বর্ণযুগে নির্মিত মনোহর ভবন সমূহ রয়েছে।

সেন্ট জনস চার্চ
এখানে নির্মিত সেন্ট জনস চার্চ সেই সব সৈনিকদের স্মরনার্থে নির্মিত হয়েছিল যারা ১৮৩৮ সালে সিন্ধ অভিযানে ও ১৮৪৩ সালে প্রথম আফগান যুদ্ধে প্রাণ দিয়েছিল।

প্রিন্স অব ওয়েলস যাদুঘর
প্রিন্স অব ওয়েল্‍স যাদুঘর উদ্বোধন করা হয়েছিল ১৯২৩ সালে রাজা পঞ্চম জর্জের ভারত ভ্রমণের সময়ে। ইন্দো-সারাসিনিক ডিজাইনে তৈরী এই যাদুঘরে শিল্প ও চিত্রাংকন প্রদর্শনের আলাদা অংশ রয়েছে। এই যাদুঘর কম্পাউন্ডে অন্য একটি অংশ রয়েছে যার নাম জাহাঙ্গীর শিল্প গ্যালারী যেখানে আধুনিক ভারতীয় শিল্পের দুর্লভ সংগ্রহ রয়েছে। নিকটেই আছে ফ্লোরা ফাউন্টেইন নামে ভারতের ব্যবসা কেন্দ্র যেখানে প্রধান ব্যাংকগুলি অবস্থিত। এটা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৮৬৯ সালে স্যার বার্টল ফ্রেরে এর সম্মানে যিনি ১৮৬২-৬৭ মুম্বাই এর গভর্ণর ছিলেন। ফ্লোরা ফাউন্টেইনের কাছাকাছি ১৬৭২ সালে নির্মিত হয়েছিল সেন্ট থমাস ক্যাথেড্রাল যা ভ্রমনের জন্য সুন্দর জায়গা।

ভিক্টোরিয়া টার্মিনাস
এই প্রানবন্ত শহরের অন্য আরও একটি চিহ্ন হলো এফ ডব্লিউ স্টিভেন্স ডিজাইনকৃত ভিক্টোরিয়া টার্মিনাস যা ইটালিয়ান গোথিক নির্মান শৈলী অনুকরনে নির্মিত।

মেরিন ড্রাইভ
মেরিন ড্রাইভ জনপ্রিয় ভ্রমণস্থান নির্মিত হয়েছিল ১৯২০ সালে পুনরুদ্ধারকৃত পতিত জমিতে। নারিমান পয়েন্ট থেকে এটা মালাবার হিল পর্যন্ত বিস্তৃত।

চৌপট্টি সৈকত
সান্ধ্য ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় সৈকত হলো চৌপট্টি সমুদ্র সৈকত যেখানে বার্ষিক গনেশ চতুর্থী উতসব সাড়ম্বরে উদযাপিত হয়।

ঝুলন্ত বাগান ও কমলা নেহরু পার্ক
এই দুইটি জায়গা মালাবার হিলের উপরে অবস্থিত এবং এখান থেকে পুরো শহরের জমকালো দৃশ্য দেখা যায়।

মহালক্ষী মন্দির
সম্পদের দেবীর প্রতি উতসর্গকৃত এই মহলক্ষী মন্দির শহরের প্রাচীনতম এবং এর অবস্থান মালাবার থেকে কিছু দুরে।

হাজী আলী সমাধি
এটা অন্য একটি মনোহর এলাকা। মুম্বাই এর অন্য আকর্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে জুহু বীচ ও নেহরু প্লানেটেরিয়াম।

ম্বাই এ দর্শনীয় স্থানসমূহ
* মুম্বাই এর অবশ্য দর্শনীয় স্থানের তালিকা
* হস্তী দ্বীপ, এপোলো বন্দরের ১০ কি.মি. উত্তর পূর্বে ভারতের প্রবেশ তোরণ
* কৃষ্ণগিরি উপবন জাতীয় পার্ক
* কানেহরি গুহা (মুম্বাই এর ৪২কি.মি. দুরে)
* মানোরি বীচ (৪০ কি.মি.)
* মন্তেপেজির ও যোগেশ¦রী গুহা
* বাসেইন, যেটা মুম্বাই শহরকে প্রধান ভূমি থেকে আলাদা করেছে ১৫৩৪ থেকে ১৭৩৯ পর্যন্ত পতুগীজদের সুরক্ষিত শহর ছিল।

Social Media