ফুকেতে ভ্রমণ নির্দশিকা

থাইল্যান্ডের বৃহত্তম দ্বীপ হলো ফুকেত। এটা ব্যাংককের ৮৭০ কি.মি. দুরে অবস্থিত। এখানকার প্রধান র্তানী দ্রব্য হলো টিন ও রাবার। এই দ্বীপ সামুদ্রিক জীবন দ্বারা জীবনপ্রাপ্ত। থাও থেপ কাসাত্রি এবং থাও সিসুনথন প্রতিমুর্তি এই দ্বীপের ভূ-চিহ্ন হিসেবে চিহ্নিত।

ফুকেট একটা সুন্দরতম দ্বীপ যার আছে খাড়ি, উপসাগর, পাম ঘেরা সাদা সমুদ্র সৈকত, দ্বীপঘন সাগর, বন্ধুভাবাপন্ন মানুষ, সুন্দর থাকার ব্যবস্থা, দারুন সামুদ্রিক খাবার, রাজকীয় পাহাড়, আয়েশী জলপ্রপাত এবং অনেক সামুদ্রিক পার্ক। অন্য কথায় অবকাশ যাপনের মধুর স্মৃতিসম্ভার তৈরীতে ফুকেতের মতো সুন্দরতম জায়গা আর হয়না ।

ফুকেতে অবস্থানকালে আপনার পরিবারকে ব্যস্ত রাখার জন্য এখানে অনেককিছু দেখার ও করার আছে। এখানে এসে যদি সক্রিয় হতে না চান তাহলে আপনি সাদা বালির উপরে বিশ্রাম নিতে পারেন।

আপনি সুরিন বীচে নয় হোলের গল্ফ কোর্সে গল্ফ খেলতে পারেন যেখানে সাঁতার কাটা সম্ভব নয় তরঙ্গভঙ্গ ও ঢেউয়ের পশ্চাত টানের কারনে। সবচেয়ে উন্নত বীচ হলো পাতং বীচ যা আপনার আমোদ প্রমোদের জন্য যথেষ্ট। নাইট ক্লাব থেকে জলক্রিড়ার ব্যবস্থা এখানে আছে যা আপনি আপনার ভ্রমণের সময় উপভোগ করতে পারেন।

ফুকেতে থাকবার ব্যবস্থা
একবার এসে পড়লে নিশ্চয় আপনার থাকবার প্রয়োজন হবে। ফুকেতে হোটেল ও প্রমোদ নিবাসের মধ্যে আছে আমানপুরী ফুকেত, সেন্ট্রাল ওয়াটারফ্রন্ট সু¨ট্‍স হোটেল ফুকেত, দি চেদি ফুকেত, দি দুসেত লাগুনা রিজোর্ট হোটেল ফুকেত এবং লি রয়্যাল মেরিডিয়ান ফুকেত, ইয়ট ক্লাব ফুকেত এগুলো হলো প্রথম শ্রেণীর যা আপনাকে ফুকেত শহরে ফ্রী যানবাহনের ব্যবস্থা করবে। সাশ্রয়ী শ্রেণীর থাকার জায়গাও রয়েছে। আপনি যদি প্রথম শ্রেণীর হোটেলে থাকেন তাহলে কেবিন ও বাংলো কমপ্লেক্স পেতে পারেন। আপনার যদি প্রথম শ্রেণীতে থাকার সামর্থ্য না থাকে তাহলে আপনি স্থানীয় স্টাইলের কমপ্লেক্সে থাকতে পারেন যেগুলি বাঁশ, রত্তন ও খড়ের তৈরী।

Social Media