চিয়াং মাই এর দৃশ্য দর্শন

শহরে কয়েকটা প্রধান মন্দির রয়েছে। একটির নাম ওয়াত চিয়াং মান যা সবচেয়ে পুরাতন। অন্য একটির নাম ওয়াত চেদি লুয়াং যা ১৫৪৫ সালের ভূমিকম্পে আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ওয়াত ফ্রা সিং এ ফ্রা সিং বুদ্ধম এর একটা ছবি রয়েছে। এটা তৈরী হয়েছিল ১৩৪৫ সালে। ওয়াত কু তাও চীনামাটি খচিত একটা সুন্দর প্যাগোডা ।

ওয়াত সুয়ান ডক ওয়াত উমং এর একটা মন্দির। এটা চৌদ্দশ শতকে তৈরী হয়েছিল লান না থাই রাজের প্রমোদ বাগ হিসেবে। সবচেয়ে দর্শনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ মন্দির হলো ওয়াত ফ্রা থাত দই সুদেপ। এটা একটা ভূ-চিহ্ন যেখান থেকে শহর দেখা যায়, শহর এখান থেকে ১৫ কি.মি. দুরে। এই মন্দিরে পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন রয়েছে যা পর্যটক আকর্ষণ করে এবং বৌদ্ধ পুন্যার্থিরা এখানে সারা বছর আসেন। এখানে আসতে ১২ কি.মি. পাহাড়ী জিগজ্যাগ পথ আছে। চিয়াং মাই এর চিড়িয়াখানা অবশ্যই দেখতে আসবেন যেখানে খাড়া সিড়ি বেয়ে উঠতে হয়। আপনি যদি সিঁড়ি বেয়ে উঠতে না চান তাহলে কার এ চড়ে মন্দিরে আসবেন যেখান থেকে মজাদার দৃশ্য দেখা যায়।

মন্দিরে ভ্রমণ ছাড়াও আপনি মার্কটে অথবা বড় বাজাওে যেতে পারেন কেনাকাটার জন্য। আপনি এখানে অ্যান্টিক, জুয়েলারী, পাইপ, এমব্রয়ডারী, সিল্ক, সুতি কাপড়, ঝুড়ি, সেলাডন, রুপার অলংকার, ফার্ণিচার, ল্যাকার ওয়্যার, খোদাইকাষ্ঠ এবং ছাতা পাবেন। আপনি চিয়াং মাই এ মানুষকে কর্মরত অবস্থায় দেখতে পাবেন। শহরের প্রান্তে বো সাং গ্রাম দেখা যাবে। আপনার কেনাকাটার কাজ শেষ হলে সান কামফানেগ এর উষ্ণ প্রস্রবনে আরাম করতে পারেন যা শহর থেকে ৩৬ কি.মি. দুরে অবস্থিত। প্রস্রবনের পানি উচ্চ সালফারযুক্ত যা স্বাস্থ¨ পুনরুদ্ধারক।

Social Media