কোহ সামুই এর মনোরম দর্শনযোগ্য

আপনি যদি সাঁতার ও সূর্য্যস্নান ছাড়া অন্য কিছু উপভোগ করতে চান তাহলে কাছাকাছি অন্য দ্বীপে যেতে পারেন। একটা নৌকা ভাড়া করে কোহ ফাংগান চলে যান কিংবদন্তীর পূর্ণচন্দ্র পার্টতে যোগ দেয়ার জন্য। এই দ্বীপ নিকটতম ও বৃহত্তম যেখানে আছে সাশ্রয়ী অনেক বাংলো। আপনি এখানে মনোহর জলপ্রপাত ও সুদৃশ্য সমুদ্র সৈকত দেখতে পাবেন। ছোট দ্বীপগুলির একটিতেও আপনি যেতে পারেন, কো তাও আর কো নাং ইউয়ান দুটোই ভ্রমণের জন্য অপূর্ব। চমতকার পানিতে আপনি স্নরকেল করতে পারেন এবং পানির নীচের সব সৌন্দর্য দেখতে পারেন।

যারা অডভেঞ্চারপ্রিয় তাদের জন্য আছে অং থং মেরিন ন্যাশনাল পার্ক। এটা একদিনের ভ্রমণ। আপনি এখানে চুনা পাথরের গুহা, নীল লেগুন আর সৈকত দেখতে পারেন। কো উয়া তা ল্যাপে পার্কের হেডকোয়ার্টার্স এ আপনি বাংলো ভাড়া করতে পারেন। সামুই এ গাইডেড ট্যুরের ব্যবস্থা আছে। যদি দ্বীপে থাকতে চান ও ভালভাবে জানতে চান তাহলে আপনি সুরাত থানিতে যেতে পারেন। এটা মতস্য আহরণ ও জাহাজ নির্মানের কেন্দ্র। এখানে আপনি তাপি নদী দেখতে যেতে পারেন হেটে হেটে। সুরাত থানি ঝিনুক চাষের জন্য সুপরিচিত যেখানে বিশালাকৃতির ঝিনুক চাষ হয়।

ভ্রমণের মতো অন্য একটি জায়গা হলো চাইয়া। এটা উত্তরে ৪৫ মিনিটের পথ। আপনি এই ঐতিহাসিক স্থান দেখতে যেতে পারেন। অনেক পন্ডিত মনে করেন এখানে শ্রীভিজায়া রাজত্বের রাজধানী ছিল। এটা নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে তবে অনেক প্রাচীন মন্দির বিদ্যমান এখানে। এই ওয়াত ফ্রা বোরোমাহাত চায়ার এ একটা সৌধ আছে যা ১,৩০০ বছরের পুরনো। অন্য তিনটি দর্শনীয় মন্দির হলো ওয়াত উইয়াং, ওয়াত লং ও ওয়াত কায়েং। আপনি যদি চাইয়া থেকে কয়েক কি.মি. দুরে প্রবহমান পানির মঠ নামে পরিচিত ওয়াত সুয়ান মক এ যান তাহলে এখানে একটা মেডিটেশন সেন্টার দেখতে পাবেন।

সর্বশেষে আপনি খাও সক জাতীয় পার্কে ভ্রমন করতে পারেন। এটা গ্রীষ্মমন্ডলীয় দৃশ্যে ভরপুর আর এখানে আপনি বাংলোও ভাড়া করতে পারবেন। আপনি যদি বাংলো ভাড়া না করতে চান তাহলে গাছের মাথায় স্থাপিত অতিথি নিবাসে থাকতে পারেন।

Social Media