আমার কিংহাই প্রদেশকে জানুন

কিংহাই এর দক্ষিণে তিব্বত স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল, দক্ষিণ-পূর্বে সিচুয়ান প্রদেশ এবং উত্তর-পূর্বে জিনজিয়াং স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চল ও গানসু প্রদেশের সীমান্ত রয়েছে।

কিংহাইয়ের ইতিহাস
১৯২৮ সালে চীন কিংহাইকে এর প্রদেশ হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করে। প্রদেশ হওয়ার আগে এটা যুদ্ধবাজ নেতা মা বুফাং কর্তৃক শাসিত হতো।

কিংহাইয়ের ভৌগলিক অবস্থান
কিংহাই তিব্বতীয় মালভূমির উত্তর-পূর্বে অবস্থিত এবং ইয়াংজি ও মেকং নদী কিংহাই প্রদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম থেকে উৼপত্তি হয়েছে।

কিংহাই গড়পড়তা ৩০০০ মিটার সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চে অবস্থিত। টাংগুলা ও কুনলুন পাহাড় কিংহাইয়ে বৃহত্তম।

কিংহাই চীনের বৃহত্তম প্রদেশ কিন্ত্ত স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চলগুলির মধ্যে জিনজিয়াং, তিব্বত আর ইনার মঙ্গোলিয়া কিংহাইয়ের চেয়ে বড়।

কিংহাইয়ের জলবায়ূ
কিংহাইয়ের তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নীচের ৫ ডিগ্রী থেকে ৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস। জানুয়ারী ও ফেব্রুয়ারী মাসে শীতকালীন তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নীচে ১৮ ডিগ্রী থেকে -৭ ডিগ্রীতে ওঠানামা করে। গ্রীষ্মে গড় তাপমাত্রা +৫ থেকে +২১ ডিগ্রী সেলসিয়াস।

কিংহাই প্রদেশের স্থানীয় অর্থনীতি
কিংহাই প্রদেশের অর্থনীতি হলো চীনের ক্ষুদ্রতম। ২০০৭ সালে এর মাথাপিছু জিডিপি ছিল ১৩,৮৩৬ আরএমবি বার্ষিক জিডিপি ছিল ৭৬.১ বিলিয়ন আরএমবি। কিংহাইয়ের রাজধানী শহর জিনিং এর কাছেই লোহা ও ইস্পাতের মতো ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। স্থানীয় অর্থনীতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে চাইডামু বেসিনের তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস শিল্প।

কিংহাই প্রদেশের ভ্রমণ আকর্ষণসমূহ
কিংহাইয়ের প্রাদেশিক রাজধানী জিনিং এ গুরুত্বপূর্ণ ও আকর্ষণীয় কিছু জায়গা আছে তার মধ্যে উত্তরের পাহাড়ী মন্দির অথবা জিনিং এর গ্রেট মসজিদ। অন্যান্য আকর্ষণীয় স্থানগুলির মধ্যে আছে ইয়েলো হাট সেক্ট মনাস্টারিজ, দি কুমবাম মনাস্টারী যা জিনিং এর ৩০ কি.মি. দুরে। কিংহাই এর দি সল্টওয়াটার লেক হাজার হাজার স্থানীয় ও কিছু বিদেশী পর্যটক আকর্ষণ করে এবং এটা চীনের বৃহত্তম এবং এটা ‘পৃথিবীর ছাদে’ অবস্থিত। জাতিগত তিব্বতীয়দের এখানকার তৃণভূমিতে বসবাস করতে দেখা যাবে যা ঘিরে আছে সারা কিংহাই ও তিব্বতীয় মালভূমিতে।

Social Media